29.9 C
Chittagong
Tuesday, May 28, 2024
spot_img

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলা সময়ের দাবি – রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশনের বৃক্ষরোপণ কর্মসুচি

প্রেস বিজ্ঞপ্তি ঃ

বিশ্ব জলবায়ু ও পরিবেশ রক্ষায় দেশব্যাপী এক কোটি গাছের চারা রোপণ, বিতরণ,ছাদ বাগানের অংশ হিসেবে রবিবার ১০ সেপ্টেম্বর বিকালে চট্টগ্রাম চাঁদগাও আবাসিক এলাকায় বৃক্ষ রোপণ, বিতরণ, ছাদ বাগান করার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন, বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশন।
লায়ন আব্দুল মন্নানের সভাপতিত্বেকৃষিবিদ কাজী গোলাম মোস্তফার সঞ্চালনায়, এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোজিনা আক্তার মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তা,পাচঁলাইশ। অনুষ্ঠান উদ্ধোধক ছিলেন সুলতানা রাজিয়া আঞ্চলিক বেতার কৃষি কর্মকর্তা চট্টগ্রাম।
প্রধান বক্তা লায়ন জাহেদুল করিম বাপ্পী সিকদার, নির্বাহী পরিচালক, রেজাউল করিম সিকদার ফাউন্ডেশন।বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি তথ‍্য সার্ভিসের এআইসিও সৌরভ চন্দ্র বড়ুয়া,কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সদস্য ওয়াহিদুল আলম ওয়াহিদ,


অনুষ্ঠানে বক্তরা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে দেশের গ্রাম ও শহরে অনেক নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গ্রামের তুলনায় যার প্রভাব শহরেই বেশি। অধিক তাপমাত্রার ফলে মাত্রাতিরিক্ত গরম, নেই মুক্ত হাওয়া ও বুকভরে শ্বাস নেওয়ার মতো উন্মুক্ত পরিবেশ। বিদ্যুৎ, ফ্যান, রেফ্রিজারেটর, এয়ার কন্ডিশনের ব্যবহার শহরের মুক্ত বায়ুকে দূষিত করছে রোজ। ফলে মানুষ পরিণত হয়েছে যন্ত্রমানবে। শহরে নেই গাছপালা, বনায়ন ও পর্যাপ্ত নার্সারি, তাই প্রাকৃতিক পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও বাসযোগ্য পরিবেশ গড়ে তোলা সময়ের দাবি।

বর্তমান সময়ে শহরে উল্লেখযোগ্যভাবে চোখে পড়ে ভবনগুলোয় ছাদবাগান। চট্টগ্রাম শহরের অনেক ভবনের ছাদে অনেকে শখের বসে ই-কৃষির আওতায় শাকসবজি, ফলমূল, বাগান, নার্সারি ও হরেক রকমের ফুল চাষ করছে। এতে অনেক পরিবার স্বাবলম্বী। কারণ তারা বাজারের ফরমালিনযুক্ত ও কেমিক্যালযুক্ত শাকসবজি, ফলমূল থেকে বেঁচে যাচ্ছে এবং নিজের পরিবারের চাহিদা পূরণ করছে। যা পরিবেশের যেমন ভারসাম্য রক্ষা করছে, তেমনি অক্সিজেনের সরবরাহ বৃদ্ধি পাচ্ছে। শহরে বনায়ন ও গাছপালা কম হওয়ার কারণে জলবায়ুর পরিবর্তন হচ্ছে, ফলে তাপমাত্রা বেড়ে যাচ্ছে প্রচন্ড। গরমে বসবাস করতে হচ্ছে মানুষকে। পাশাপাশি শহরে প্রতিদিন শিল্প কারখানায় পণ্যদ্রব্য উৎপাদনে যে হাজার হাজার, লাখ লাখ টন বর্জ্য ফেলা হচ্ছে শোধন না করে, এতে শহরের মাটি ও পানি দূষিত হচ্ছে। পাশাপাশি কলকারখানা ও গাড়ির কালো ধোঁয়া শহরের বায়ুকে দূষণ করছে। ফলে ক্রমেই মুক্ত ও পরিচ্ছন্ন হাওয়া বা অক্সিজেন সঙ্কট দেখা যাচ্ছে। তাই শহরের মাটি, পানি ও বায়ুদূষণের ফলে ক্রমেই শহর বসবাসযোগ্যতা পরিবেশ হারিয়ে ফেলছে। মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে বিভিন্ন চর্ম, যৌন, হার্ট অ্যাটাক, ক্রনিক ডিজিস ও কিডনিজনিত সমস্যায়, যার অন্যতম কারণ শহরের দূষিত পরিবেশ। আবহাওয়া ও জলবায়ুর এই পরিবর্তনের ফলে যথাসময়ে হচ্ছে না বৃষ্টিপাত, অতিগরম ও নেই মুক্ত হাওয়া, কারণ শহরে নেই প্রচুর গাছপালা। যেখানে গাছপালা বেশি সেখানে পরিবেশ শীতল ও শান্ত। সেখানে বৃষ্টিপাতও বেশি। ছাদবাগানে চাষ হচ্ছে শাকসবজি যেমন- পুঁইশাক, লাউশাক, মরিচ, ঢেঁড়স, টমেটো, পটোল, চিচিঙ্গা, মাশরুম ও শসা ইত্যাদি।
শহরের এখনও অনেক ভবনে ছাদবাগান দেখা যায় না তবে শহরের প্রতিটি বিল্ডিং ও ভবনে ছাদবাগান শুরু করলে সবুজ পরিবেশের সমাহার যেমন গড়ে উঠবে, তেমনি ঠান্ডা, শীতল ও অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এক পরিবেশ দৃষ্টিগোচর হবে সবার চোখে। যা শহরের পরিবেশের সৌন্দর্য যেমন বৃদ্ধি করবে, তেমনি পরিবেশের ভারসাম্যও রক্ষা পাবে।


উক্ত অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চান্দগাঁও শেখ রাসেল স্মৃতি পরিষদ সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম, তাসভীর আলম, আবিদ হাসনাত, আশিক,শান্ত নাথ ঈশান, ইমন,অভি,জলবায়ু,ফয়েজ সহ প্রমুখ।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Stay Connected

0FansLike
3,912FollowersFollow
21,800SubscribersSubscribe
- Advertisement -spot_img

Latest Articles